ঢাকা: ২০১৯-০৩-২১ ২১:৩১

Khan Brothers Group

কৃষকের ক্ষতি পোষাতে কোটি টাকার প্রণোদনা

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ০৬:৪১ পিএম, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৩:১৪ পিএম, ১ অক্টোবর ২০১৭ রবিবার

শফিকুল ইসলাম : চলতি বছরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের পুনর্বাসনে প্রায় এক কোটি টাকা প্রণোদনা দিচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়। প্রণোদনার টাকার মধ্যে কলার ভেলায় ভাসমান বীজতলা তৈরি, নাবী জাতের রোপা আমন ধানের বীজ বিতরণ ও বীজতলা তৈরি, চারা উত্তোলন ও বিতরণ করা হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এশিয়ান মেইলকে এতথ্য নিশ্চিত করেছে।

আগামী  রোববার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রণোদনার ঘোষণা দেবেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের পুনর্বাসনে ৯০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা দিচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এ অর্থের মাধ্যমে কলার ভেলায় ভাসমান বীজতলা তৈরি, নাবী জাতের রোপা আমন ধানের বীজ বিতরণ ও বীজতলা তৈরি, চারা উত্তোলন ও বিতরণ করা হবে।

পুনর্বাসনের জন্য ইতিমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসক ও কৃষি বাস্তবায়ন পুনর্বাসন কমিটির সভাপতির নামে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রণোদনার মধ্যে কলার ভেলায় ভাসমান বীজতলা তৈরিতে ৭ লাখ ৫৮ হাজার ১৬০ টাকা, নাবী জাতের রোপা আমন ধানের বীজ বিতরণে ৩ লাখ ২ হাজার ৪০০ টাকা এবং নাবী জাতের রোপা আমন ধানের বীজতলা তৈরি, চারা উত্তোলন ও বিতরণে ৮০ লাখ ২৬ হাজার ২০০ টাকা লাগবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ  গোলাম মারুফ এশিয়ান মেইলকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত একজন কৃষক এক বিঘা আমন ধানের জমিতে রোপণের জন্য শুধু ধানের চারা বিনামূল্যে পাবেন। আমন ধানের বীজ বিতরণের ক্ষেত্রে একজন কৃষক এক বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ বিনামূল্যে পাবেন। `তিনি বলেন, একজন কৃষক এক বিঘা  জমির জন্য শুধুমাত্র আমন ধানের বীজ বা চারা পাবেন। যে কৃষক বীজ পাবেন তিনি কোনভাবেই ধানের চারা পাবেন না।

ইউনিয়ন কৃষি কমিটির করা তালিকা এবং উপজেলা কৃষি ও পুনর্বাসন কমিটির সভাপতির অনুমোদিত তালিকাভুক্ত কৃষকরাই শুধুমাত্র এই সুবিধা পাবেন বলেও জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় দুর্যোগ সাম্প্রসারণ ও সমন্বয় কেন্দ্রের (এনডিআরসিসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বন্যায় দেশের ৩২ জেলায় ৮২ লাখ ৮৮৯ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত এবং মারা গেছে ১৪২ জন। বন্যায় আমন, আউশ ও সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। ৫ লাখ ৩১ হাজার ৬৮৯ হেক্টর জমির ফসল আংশিক ও ৬১ হাজার ৮৭৭ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।