ঢাকা: ২০১৯-০৩-২২ ১৯:৫৬

Khan Brothers Group

চকবাজারের অগ্নিদগ্ধ দুইজনের ঢামেকে মৃত্যু

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ১১:১৩ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার | আপডেট: ১১:১৩ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর চকবাজার চুড়িহাট্টার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিদগ্ধ রিকশা চালক আনোয়ার ও মো. সোহাগ নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার রাত সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তিনি মারা যান। এর আগে, সোমবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু হয়। তাদের মৃত্যুতে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৯ জনে। এই অগ্নিকাণ্ডে আহত যে কজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তার মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হল।

প্রাথমিকভাবে সোহাগের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। সোহাগের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।

বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ২০ ফেব্রুয়ারি অগ্নিকাণ্ডের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে আরও আটজনের সঙ্গে ভর্তি করা হয়েছিল আনোয়ারকে। ৫৫ বছর বয়সী আনোয়ারের দেহের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

রিকশাচালক আনোয়ারের বাবার নাম আলী হোসেন। তার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার রায়নগর গ্রামে। কামরাঙ্গীরচরের ছাতা মসজিদের পূর্বপাশে স্ত্রী হাজেরা বেগম এবং তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে থাকতেন আনোয়ার।

একমাত্র মেয়ে বীথির আবদারে তার জন্য বিরিয়ানী কিনতে সেদিন চকবাজারে গিয়ে আগুনের মধ্যে পড়েছিলেন আনোয়ার।

ডা. সামন্ত লাল বলেন, চিকিৎসাধীন বাকি আটজনের একজনও আশঙ্কামুক্ত নন। কারণ, কেমিকেল বার্ন কোনো সময় সুপারফিশিয়াল বার্ন হয় না, ডিপ বার্ন হয়। এই রোগীদের সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।

আগুনের ক্ষত নিয়ে বার্ন ইউনিটে ভর্তি থাকা আটজন হলেন- আইসিইউতে থাকা সোহাগের (২৫) শরীরের ৬০ শতাংশ, রেজাউলের (২১) শরীরের ৫১ শতাংশ, জাকিরের (৩৫) শরীরের ৩৫ শতাংশ, মোজাফফরের (৩২) শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়েছে।

ওয়ার্ডে থাকা হেলালের (১৮) শরীরের ১৬ শতাংশ, সেলিমের (৪৪) শরীরের ১৪ শতাংশ, মাহমুদুলের (৫২) শরীরের ১৩ শতাংশ এবং সালাহউদ্দিনের (৪৫) শরীরের ১০ শতাংশ পুড়েছে।

এ/কে