ঢাকা: ২০১৯-০৩-২১ ২১:৩২

Khan Brothers Group

জলাধার উদ্ধারে স্বতন্ত্র অথরিটি চান দক্ষিণের মেয়র

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ০৭:৩৯ পিএম, ২৩ আগস্ট ২০১৭ বুধবার | আপডেট: ১১:৫৬ এএম, ৫ অক্টোবর ২০১৭ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রিয়াজ আহম্মেদ মিলন: ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও খাল উদ্ধারের সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করে আলাদা একটি অথরিটি গঠনের তাগিদ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। এজন্য আইন পরিবর্তন ও অবাস্তব নয় বলে তিনি মনে করেন। এই অথরিটির মাধ্যমে ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে ঢাকাকে পুরোনো অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে আশা করছেন মেয়র।


এ প্রসঙ্গে ডিসিসি মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা দূর ও জলাধারে এবং খাল উদ্ধারে একটি অথরিটি করা যায়। তবে সে অথরিটির আইনি সক্ষমতা ও ক্ষমতা থাকতে হবে। এই অথরিটিতে সেনা বাহিনীকে রাখা যেতে পারে। র‌্যাব, পুলিশকেও রাখা যায়।

মেয়রের প্রস্তাবের বিষয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খোন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ঢাকা ওয়াসার পক্ষে একা ম্যানেজ করা সম্ভব না। এজন্য একটা কোয়ার্ডিনেশন ম্যাকানিজম তৈরি করা যেতে পারে। এতে মন্ত্রণালয়, ওয়াসা ও মেয়ররা থাকতে পারেন।

মন্ত্রীর এ বক্তব্যে সাঈদ খোকন বলেন, স্বল্প মেয়াদী পদক্ষেপ হিসেবে কোয়ার্ডিনেশন ম্যাকানিজম করা যায়। তবে তাতে জলাবদ্ধতার দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী সমাধান হবে না। স্থায়ী সমাধানের জন্য রাষ্ট্রকে তার ক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে।

ঢাকার জলাবদ্ধতা সম্পর্কে সাঈদ খোকন আরো বলেন, আমরা যদি ন্যাচারাল ওয়েতে ফিরে যেতে চাই, তাহলে স্থায়ী সমাধান হবে।এতে চ্যালেঞ্জ আছে, সময় সাপেক্ষ, অর্থ সংশ্লিষ্ট এবং লম্বা সময়ের ব্যাপার।তবে অবাস্তব নয়।খাল ও জলাধার দখল মুক্ত করাও সম্ভব।
 
এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম ও ঢাকার জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করেছেন। সুপারিশে তিনি বলেন, লংটার্মে হাত দেওয়ার কোন বিকল্প নেই।বিশেষ করে ঢাকার খালগুলো উদ্ধার করতে হবে।জলাধার উদ্ধার করতে হবে। খাল ও জলাধার দখল করে যে স্থাপনা গড়ে উঠেছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ।রাজউক ও এই দখল বা স্থাপনাকে স্বীকার করেনি বা অনুমোদন দেয়নি।সরকার চাইলে এইসব দখলদারের হাত থেকে খাল ও জলাধার উদ্ধার করা যাবে। তবে তা ধরে রাখতে সরকারকেই আন্তরিক হতে হবে।
 
ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিন এ খান বলেন, ঢাকার নিন্মাঞ্চল ভরাট হয়ে যাওয়ায়, পানি গিয়ে সেখানে দাড়াতে পারছেনা। আবার এই ভরাটের পুরোটাই হয়েছে অবৈধ উপায়ে। ফলে ঢাকার পানি নিস্কাশন করতে হচ্ছে অনেকটা দাঁত ফেলে দিয়ে কৃত্রিম দাঁত বসানোর মতো করে। প্রাকৃতিক খাল নষ্ট ও দখল হয়ে যাওয়ায় পাঁচটি পাম্প স্টেশনের মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে পানিসেচে ফেলতে হচ্ছে। এভাবে সমস্যার সমাধান করা  প্রায় অসম্ভব যদি একটানা বৃষ্টি হয়।