ঢাকা: ২০১৯-০২-১৬ ৯:৪১

Khan Brothers Group

ডিসেম্বরের শুরুর দিকে বইতে পারে শৈত্যপ্রবাহ

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ০৫:৩১ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার | আপডেট: ০৬:১৩ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত


নিজস্ব প্রতিবেদক: ডিসেম্বরে শুরুর দিকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে এসে দেশজুড়ে শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এরই মধ্যে শীত অনুভব হচ্ছে। নভেম্বরের শেষের দিকে রাজধানীতেও শীত অনুভব হবে। ধীরে ধীরে বাড়বে মৌসুমী শীত। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে আনবে শৈত প্রবাহ। যা দেশের বিভিন্নস্থানে অনুভব হবে। এ তাপমাত্রা উঠানামার মধ্যে থাকবে। তবে যেসবস্থানে ধুলিকনার পরিমাণ বেশি থাকবে সেসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ কম বুঝা যাবে।

২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসটিতে প্রায় সারা দেশের ওপর দিয়ে হাড়–কাঁপানো শীতের ঝাপটা বয়ে গিয়েছিল। কাঁপন ধরানো এই শীত পড়তে শুরু করে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে। তৃতীয় সপ্তাহের দিকে শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে।

এবারও ডিসেম্বর ভোটের আগে–পরের দিনগুলোয় রাজনীতির উত্তাপে শীতের কাঁপন থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।  ডিসেম্বরে রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। এ মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা কোথাও কোথাও ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসও হতে পারে। এর মধ্যে উত্তর, উত্তর–পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে। এর সঙ্গে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। নদী অববাহিকায় কুয়াশার মাত্রা বেশি থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি হলো দেশের শীতলতম মাস। প্রতিবছর এই দুটি মাসে শীতের তীব্রতা থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ, দিনের ব্যাপ্তি কমে যায়। সূর্য আলো দেয় প্রতিদিন মাত্র ছয় থেকে সাত ঘণ্টা। এর সঙ্গে কুয়াশা পড়লে শীত আরও বেশে পড়ে। এ বছরও এর ব্যত্যয় হবে না।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক শাহ আলম বলেন, ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিনটি হবে বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৬ পৌষ। এ সময় শৈত্যপ্রবাহের কারণে পুরো রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে বেশ ঠান্ডা পড়তে পারে। সিলেট বিভাগেও একই অবস্থা থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট করে আগাম বলা না গেলেও ভোটের দিন শীত পড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

অবশ্য শীত আসতে আরও কিছুদিন বাকি থাকলেও শুরু হয়ে গেছে প্রস্তুতি। শীতের প্রধান আকর্ষণ খেজুরের রস সংগ্রহে জেলার বিভিন্ন এলাকার গাছিরা গাছ প্রস্তুতের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। শহরের অনেক জায়গায় ভাপাপিঠাও বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। কাপড় ব্যবসায়ীরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন মোকাম থেকে শীতের পোশাক কিনে আনার। কেননা, আর কয়েক দিন পরেই যে জমবে বিকিকিনি।

-জেডসি