ঢাকা: ২০১৯-০২-২১ ২২:১৯

Khan Brothers Group

দুর্যোগে নারী ও শিশুরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়: কামরুন নাহার

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ০৬:০১ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাড়িঘরের মায়া, সিদ্ধান্তহীনতা এবং নিরাপত্তার কারণে ঘূর্ণিঝড়ের সময় নারীরা শুরুতেই সেল্টার হোমে যেতে চান না। শেষ সময়ে বের হওয়ার কারণে তারা দুর্যোগের কবলে পড়েন। আর মা আক্রান্ত হলে শিশুও আক্রান্ত হয়। ফলে যেকোনও দুর্যোগে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রাজধানীর ইস্কাটনে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের আয়াজনে এক ন্যাশনাল রেসিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (ডি ডাব্লিউ পার্ট) শীর্ষক কারিগরি সহfয়তা কর্মশালায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার এসব কথা বলেন।

কামরুন নাহার বলেন, সংসারের প্রতি নারীদের টান অনেক বেশি। তারা সহজে বাড়িঘর ছাড়তে চান না এবং দুর্যোগের শিকার হন। ফলে দুর্যোগ মোকাবিলায় যত রকমের প্রস্তুতি নেয়া হয় তার মধ্যে নারী ও শিশুকে প্রধান্য দিতে হবে।

সচিব আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ যে সক্ষমতা অর্জন করেছে সেটি সারাবিশ্বে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। উন্নত বিশ্বও আমাদের এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়।’
মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এই কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন ইউএন ইউমেন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট দিলরুবা সরদার, ন্যাশনাল রেসিলিয়েন্স প্রোগ্রামের (এনআরপি) ন্যাশনাল প্রজেক্ট ডিরেক্টর দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোহসীন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আইনুল কবীর। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তারা কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোহসীন বলেন, বাংলাদেশ নারী ও শিশুর ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সক্ষম হয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রতি একজন পুরুষের বিপরীতে ১৪ জন নারী ও শিশু মারা যেতো। সাম্প্রতিকালের ঘূর্ণিঝড়গুলোতে একজন পুরুষের বিপরীতে ২ জন নারী ও শিশু মারা যায়।

উল্লেখ্য, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জনে এনআরপি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্প ব্যয় ১০২ কোটি টাকা। এই প্রকল্প দুর্যোগ ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় মিলে বাস্তবায়ন করবে।

এ/কে