ঢাকা: ২০১৯-০২-১৬ ৯:১৬

Khan Brothers Group

দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ১২:২৫ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৬:৩৭ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্যা, সাইক্লোন, ভূমিধসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকাল রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত দুর্যোগ মোকাবেলায় সমন্বয় কার্যক্রম জোরদারকরণ সংক্রান্ত রিজিওনাল কনসালটেটিভ গ্রুপের (আরসিজি) সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের পূর্বাভাস, আশ্রয়ণ, পুনর্বাসন ও উদ্ধার ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। এ বিষয়ে বিশ্বে স্বীকৃতিও মিলেছে। ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

ডেল্টা প্ল্যানের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি রোধে সরকার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এই প্ল্যানের সঠিক বাস্তবায়নে দুর্যোগে প্রাণহানিসহ সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ মন্ত্রণালয় যথাযথ অবদান রেখে চলেছে। মন্ত্রণালয়ের সঠিক কর্মপরিকল্পনার কারণে সম্প্রতি বিভিন্ন দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবিলা করে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয় মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকবেলায়ও সরকার কাজ করছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থাগুলোকে আধুনিক করা হচ্ছে। প্রযুক্তিগতভাবে স্বাবলম্বী হতে বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জামও সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ কাজে প্রতিবেশি ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

মানবিক সহায়তার কাজে স্বেচ্ছাসেবক ও বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবকেরা যেভাবে কাজ করেন, তাতে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির পরিমাণ অনেক কমে এসেছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শও কাজে আসছে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এশিয়া ও প্রশান্ত মাহসাগরীয় দেশগুলোকে দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমাতে পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনিময়ের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব না। তবে ক্ষতি হ্রাস করা যায়। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রতিবেশি দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থাকা দরকার।

মানবিক কাজে প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলো একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ১১ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবিক সহায়তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

পাহাড়ে ভূমিধসে উদ্ধার অভিযান নিহত সেনা সদস্যদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, তাদের অবদানের কারণে অনেক জান-মাল রক্ষা পেয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় আন্তদেশীয় সমন্বয় জোরদার করতে ঢাকায় আজ ২৪ জানুয়ারি থেকে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালের, রুপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। যা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

আজ সকাল ১১টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহায়তা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়া হয়েছে সম্মেলনে। যেখানে আলোচনা করা হচ্ছে ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নির্ধারণ বিষয়ে।

সম্মেলনে মোট ২৬টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়া অংশ নিয়েছে ২৪টি আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার ১২০ জন প্রতিনিধি। উদ্বোধনী ও কারিগরি মিলিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ১৮টি সেশন।

-জেডসিরাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত দুর্যোগ মোকাবেলায় সমন্বয় কার্যক্রম জোরদারকরণ সংক্রান্ত রিজিওনাল কনসালটেটিভ গ্রুপের (আরসিজি) সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা এসব দুর্যোগ প্রতিরোধ করতে পারবো না। কিন্তু ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারব। এ জন্য বিশ্বের বিশেষ করে পাশ্ববর্তী দেশগুলোর সহযোগিতা অত্যান্ত জরুরি। তাদের সঙ্গে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিনিময় দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

পাহাড়ে ভূমিধসে উদ্ধার অভিযান নিহত সেনা সদস্যদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, তাদের অবদানের কারণে অনেক জান-মাল রক্ষা পেয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় আন্তদেশীয় সমন্বয় জোরদার করতে ঢাকায় আজ ২৪ জানুয়ারি থেকে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালের, রুপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। যা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

আজ সকাল ১১টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহায়তা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়া হয়েছে সম্মেলনে। যেখানে আলোচনা করা হচ্ছে ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নির্ধারণ বিষয়ে।

সম্মেলনে মোট ২৬টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়া অংশ নিয়েছে ২৪টি আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার ১২০ জন প্রতিনিধি। উদ্বোধনী ও কারিগরি মিলিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ১৮টি সেশন।

-জেডসি