ঢাকা: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ৯:৩৯

ন্যাটোর ইন্টারনেট কেবল কেটে দিতে পারে রাশিয়া

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ১১:০২ এএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ১১:৪২ এএম, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট


ডেস্ক রিপোর্ট: রাশিয়া যে কোনও সময় সাগরতলের ইন্টারনেট কেবল কেটে দিয়ে ব্রিটেনসহ ন্যাটোভুক্ত দেশগুলিকে বিপদে ফেলতে পারে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান স্টুয়ার্ট পিচ। তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার পক্ষ থেকে ন্যাটোর প্রতি বিপদ আগের চেয়ে বেড়েছে।  

লন্ডনের রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিস ইনস্টিটিউটে দেওয়া বক্তব্যে এমন আশঙ্কার কথা জানান স্টুয়ার্ট পিচ। কারণ রাশিয়ার জাহাজগুলিকে নিয়মিত আটলান্টিক মহাসাগরের কেবল এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বের প্রায় ৯৭ শতাংশ যোগাযোগ আর প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ কোটি ডলারের আর্থিক লেনদেন এসব কেবল দিয়ে সম্পন্ন হয়। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপসহ বিশ্বের বাকি দেশগুলি নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যও কেবলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ব্রিটেনের বিমান বাহিনী প্রধান তথা ন্যাটোর সামরিক কমিটির প্রধান মার্শাল পিচের ভাষায়, রাশিয়া এক অন্যরকম যুদ্ধ শুরু করেছে। এই কেবল কেটে দেওয়ার মানে হচ্ছে ব্রিটেন ও তার সহযোগী দেশগুলিকে রাশিয়ার স্বার্থে তাদের নৌবাহিনীর সঙ্গে কাজ করতে বাধ্য করা।

তিনি বলেন, সাগরতল দিয়ে যাওয়া ওই কেবল বিচ্ছিন্ন করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে আসবে। এতে আমাদের উন্নয়ন ও জীবনযাপনে নতুন বিপদ তৈরি হবে।

এর আগে ব্রিটেনের কনজারভেটিভ পার্টির এমপি রিশি সাঙ্ক রাশিয়ার ডুবোজাহাজগুলির এমন আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে মার্কিন গোয়েন্দা কর্তাদের অবহিত করেন।

২০১৩ সালে ক্রিমিয়া সংকটের সময়ও রাশিয়া প্রথমেই তাদের ইন্টারনেটের প্রধান কেবলটি কেটে দিয়েছিল বলে মনে করিয়ে দেন সাঙ্ক। ন্যাটোতে ব্রিটেনের সেনাদের সংখ্যা সাত হাজার থেকে কমিয়ে ছয় হাজার করার প্রেক্ষিতে এর বিরোধিতায় এসব যুক্তি তুলে ধরেন পিচ।

ক্রিমিয়া আক্রমণের পর থেকেই ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলি রাশিয়া তাদের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করে আসছে। পূর্ব ইউরোপের ওই দেশটিতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিশ্বে তাদের অবস্থানের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করতে পেরেছিলেন। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

জেডসি