ঢাকা: ২০১৯-০২-১৬ ৯:৩৯

Khan Brothers Group

বান্দরবনের দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে আসুন

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ০৮:১১ পিএম, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শনিবার | আপডেট: ০৮:২৫ পিএম, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শনিবার

সূত্র: ইন্টারনেট

সূত্র: ইন্টারনেট

ডেস্ক রিপোর্ট: আপনি যদি বন, পাহাড়, নদী এবং পাহাড়ি মানুষের জীবনের বৈচিত্র উপভোগ করতে চান তাহলে বান্দরবান ঘুরে আসুন। বান্দরবান গিয়ে কী কী দেখবেন? বান্দরবান জেলা শহর। জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে। সেগুলোর দূরত্বও কম নয়। তাছাড়া শহরে ভালো মানের হোটেলও খুব বেশি নেই। আগে থেকে হোটেল বুকিং দিয়ে না গেলে সমস্যা হতে পারে। বান্দরবান থাকার জন্য হোটেল বুকিং করতে পারেন জোভাগো ডটনেট থেকে।

বাংলাদেশের দার্জিলিং, নীলগিরি:
এবার চলুন বান্দরবানের দর্শনীয় জায়গাগুলো কী জেনে নেই। এক্ষেত্রে প্রথমেই আসবে নীলগিরির নাম। জায়গাটিকে অনেকে ‘বাংলাদেশের দার্জিলিং’ বলেন। যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালি চলে দিনরাত। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন ওই মেঘের দেশে। তবে যারা মেঘ ভালোবাসেন তারা জুন-জুলাই অর্থাৎ বর্ষাকালে ভ্রমণে গেলে বেশি আনন্দ পাবেন। নীলগিরি যেতে হলে আগে থেকে জিপ ভাড়া করতে হবে। সময় লাগবে আসা-যাওয়ায় সাড়ে চার ঘণ্টা। ভাড়া সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত আসা-যাওয়ার জন্য ছোট জীপ: ৫ সিট ২৩০০ টাকা এবং বড় জীপ: ৮ সিট ২৮০০ টাকা।

স্বর্ণমন্দির:
এরপর যেতে পারেন স্বর্ণমন্দির। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম এই ‘বৌদ্ধ ধাতু জাদী’ স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত। এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উল্লেখযোগ্য একটি উপাসনালয়। যা বান্দরবান শহর থেকে ৪ কি.মি. উত্তরে বালাঘাট নামক এলাকায় পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। এর নির্মাণশৈলী মিয়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ মন্দিরের আদলে তৈরি।

মেঘলায়:
বান্দরবানের আরেকটি স্পট মেঘলা। বান্দরবান জেলা শহরে প্রবেশের ৭ কি.মি. আগে মেঘলা পর্যটন এলাকা। এটি সুন্দর কিছু উঁচু-নিচু পাহাড়বেষ্টিত একটি লেক ঘিরে গড়ে উঠেছে। সবুজ গাছ আর লেকের স্বচ্ছ পানি পর্যটককে প্রকৃতির কাছাকাছি টেনে নেয় প্রতিনিয়ত। পানিতে যেমন রয়েছে প্যাডেল বোট, তেমনি ডাঙ্গায় রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা। রয়েছে রোপওয়ে কার। এখানে সবুজ প্রকৃতি, লেকের স্বচ্ছ পানি আর পাহাড়ের চূড়ায় উঠে দেখতে পাবেন বান্দরবানের নয়নাভিরাম দৃশ্য। মেঘলা পর্যটন স্পটের পাশেই রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের বান্দরবান পর্যটন হোটেল।

চিম্বুক:
চিম্বুক বান্দরবানের অনেক পুরোনো পর্যটন স্পট। বান্দরবান শহর হতে ২১ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে মিলনছড়ি এবং শৈলপ্রপাত পেরিয়ে চিম্বুক যেতে হয়। এখানে পাহাড়ের চূড়ায় রেস্টুরেন্ট এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার আছে। পাহাড়ের চূড়া থেকে চারদিকের সবুজ প্রকৃতির সৌন্দর্য এখানে প্রকৃতিপ্রেমীদের টেনে আনে।

শৈলপ্রপাত বা নীলাচলে নীল দর্শন:
শৈলপ্রপাত বান্দরবান শহর হতে ৭ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে দেখা যাবে। নীলাচল বান্দরবান শহর হতে ১০ কি.মি. দক্ষিণে ১৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত একটি পর্বত শীর্ষ। যেখান থেকে নীল আকাশ যেন তার নীল আঁচল বিছিয়ে দিয়েছে ভূমির সবুজ জমিনে। যে দিকে দুচোখ যায় অবারিত সবুজ ও নীল আকাশের হাতছানি। মুগ্ধতায় ভরে উঠবে মন-প্রাণ।

মিলনছড়ি থেকে সাঙ্গু নদী:
মিলনছড়ি বান্দরবান শহর হতে ৩ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে শৈলপ্রপাত বা চিম্বুক যাওয়ার পথে পড়ে। এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি আছে। পাহাড়ের উঁচুতে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে পূর্ব প্রান্তে অবারিত সবুজের খেলা এবং সবুজ প্রকৃতির বুকে সর্পিল গতিতে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু নদী এখান থেকে ভালোভাবে দেখা যাবে।

ও/র