ঢাকা: ২০১৯-০২-১৬ ৯:১২

Khan Brothers Group

মানিকগঞ্জের দুই পুলিশ কর্মকর্তা ৬ দিনের রিমান্ডে

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ০২:৪১ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার | আপডেট: ০২:৪৪ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জে সাটুরিয়ায় দুদিন আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলামকে ৬ দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৭নং আদালতের বিচারক মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে আসামিদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

কোর্ট ইন্সপেক্টর হাবিবুল্লাহ সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামি দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির করা হলে তাদের উভয়ের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামি পক্ষের একমাত্র আইনজীবী ছিলেন আবদুল মজিদ ফটো।

এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী সোমবার রাতে সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন। এছাড়া ধর্ষণের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রবিবার পুলিশ সুপারের কাছে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান সিদ্দীকী সোমবার বিষয়টির তদন্ত করেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

তদন্তকারী এক সদস্য মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান জানান, সাটুরিয়া থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় নিয়ে সোমবার তদন্ত করা হয়। তদন্ত কমিটির কাছে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

উল্লেখ্য, উপ-পুলিশ পরিদর্শক সেকেন্দার হোসেন আশুলিয়া থানায় কর্মরত থাকার সময় এক নারীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা হাওলাদ নিয়ে জমি কেনেন। কথা ছিল জমি বিক্রির লাভ তাকে দেয়া হবে। সেই হিসাবে তিনি সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পাবেন। কিন্তু টাকা না দিয়ে তিনি ঘুরাতে থাকেন।

গত বুধবার বিকালে প্রতিবেশী ভাগ্নিকে নিয়ে সাটুরিয়া থানায় আসেন ওই নারী। এরপর সেকেন্দারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা দেবেন বলে তাদের সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে নিয়ে যান।

সন্ধ্যার পর সাটুরিয়া থানার এএসআই মাজহারুল ইসলামকে ডাকবাংলোতে নিয়ে যায় সেকেন্দার হোসেন। সেখানে ডাকবাংলোর একটি কক্ষে দুই পুলিশ কর্মকর্তা ইয়াবা সেবন করে ও তার সঙ্গে আসা ওই তরুণীকে জোর করে ইয়াবা সেবন করায়। দুই পুলিশ কর্মকর্তা দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।

এ/কে