ঢাকা: ২০১৯-০২-২০ ২৩:৩৫

Khan Brothers Group

সংরক্ষিত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন ৪৯ নারী

এশিয়ানমেইল২৪.কম

প্রকাশিত : ০৭:৪২ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সোমবার | আপডেট: ০৯:০১ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি ছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সংরক্ষিত নারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মোট ৫০টি আসনের মধ্যে ৪৯ জন এই মনোনয়নপত্র জমা দেয়। বিএনপির একজন মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়পত্র যাচাই বাছাই ১২ ফেব্রুয়ারি। প্রত্যাহার ১৬ ফেব্রুয়ারি। আর ভোট ৪ মার্চ। তবে অতিরিক্ত প্রার্থী না থাকায় আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এই ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, প্রত্যাহারের দিন যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাদের কেউ প্রত্যাহার না করলে কিংবা বাছাইয়ে কারো মনোনয়নপত্র বাতিল না হলে এই ৪৯ জনকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

আজ সোমবার আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ৪৩ জনের মনোনয়নপত্র জমা দেন। জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়াকার্স পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্ররা একজনের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

সোমবার ছিল এই নির্বাচনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। প্রার্থীদের উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইসির যুগ্মসচিব আবুল কাসেমের কাছে ৪৯ জন নারী প্রার্থীর মনোনয়পত্র জমা দেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন: ঢাকা থেকে সুবর্ণা মুস্তাফা, শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা ও নাহিদ ইজহার খান; চট্টগ্রাম থেকে খাদিজাতুল আনোয়ার ও ওয়াশিকা আয়েশা খানম; কক্সবাজার থেকে কানিজ ফাতেমা আহমেদ, খাগড়াছড়ি থেকে বাসন্তী চাকমা, কুমিল্লা থেকে আঞ্জুম সুলতানা ও আরমা দত্ত; ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, গাজীপুর থেকে শামসুন্নাহার ভূঁইয়া ও রুমানা আলী; বরগুনা থেকে সুলতানা নাদিরা, জামালপুর থেকে হোসনে আরা, নেত্রকোণা থেকে হাবিবা রহমান খান (শেফালী) ও জাকিয়া পারভীন খানম; পিরোজপুর থেকে শেখ এ্যানী রহমান, টাঙ্গাইল থেকে অপরাজিতা হক, সুনামগঞ্জ থেকে শামীমা আক্তার খানম, মুন্সিগঞ্জ থেকে ফজিলাতুন নেসা, নীলফামারী থেকে রাবেয়া আলীম, নরসিংদী থেকে তামান্না নুসরাত বুবলী, গোপালগঞ্জ থেকে নার্গিস রহমান, ময়মনসিংহ থেকে মনিরা সুলতানা, ঝিনাইদহ থেকে খালেদা খানম, বরিশাল থেকে সৈয়দা রুবিনা মিরা, পটুয়াখালী থেকে কাজী কানিজ সুলতানা, খুলনা থেকে গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, টাঙ্গাইল থেকে খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, দিনাজপুর থেকে জাকিয়া তাবাসসুম, নোয়াখালী থেকে ফরিদা খানম (সাকী), ফরিদপুর থেকে রুশেমা বেগম, কুষ্টিয়া থেকে সৈয়দা রাশেদা বেগম, মৌলভীবাজার থেকে সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, রাজশাহী থেকে আদিবা আনজুম মিতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, শরিয়তপুর থেকে পারভীন হক সিকদার, রাজবাড়ী থেকে খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, মাদারীপুর থেকে তাহমিনা বেগম, পাবনা থেকে নাদিয়া ইয়াসমিন জলি ও নাটোর থেকে রত্না আহমেদ।

সরাসরি আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়ে ভোটে হেরে যাওয়া সালমা ইসলাম সংরক্ষিত আসন থেকে সংসদে যাচ্ছেন। যমুনা গ্রুপের কর্ণধার নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী সালমার পাশাপাশি জাতীয় পার্টি থেকে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার।

জাতীয় পার্টির ৪ জন:
জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দলটির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা তাদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

ওয়ার্কার্স পার্টি ও স্বতন্ত্রের একটি করে:

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী লুৎফুন নেসা খান। তিনি দলটির সভাপতি সাংসদ রাশেদ খান মেননের স্ত্রী।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নারী আসনের প্রার্থী সেলিনা ইসলাম লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের স্ত্রী।

প্রসঙ্গত, দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের সংখ্যানুপাতে বণ্টিত নারী আসনে বিএনপির একটি আসন পাওয়ার সুযোগ থাকলেও তাদের এমপিরা এখনও শপথ না নেয়ায় তাদের নারী আসন স্থগিত রয়েছে, তাই প্রার্থী একজন কম হয়েছেন।

-জেডসি